হে পুরুষ! নারীকে নিজের সম্পত্তি নয়, বন্ধু মনে করুন , দেখবেন কতো শান্তি দুনিয়ায়
বিশেষ প্রতিবেদক
নভেম্বর ২০, ২০১৯, ১:২৭ অপরাহ্ণ

লীনা পারভীন : যুগ যুগ ধরেই পুরুষেরা মগজে, মননে, নয়নে, স্বপনে, জাগরণে বিশ্বাস করে যে নারী হচ্ছে জগতের সবচেয়ে দুর্বল চিন্তার, চিত্তের আর মেধার প্রাণী যাদের সঙ্গে উচ্চমার্গের কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলা তো দূর কী বাত শেয়ারও করা যায় না। এই যে নারীকে অজ্ঞ, মূর্খ, অজ্ঞান ইত্যাদি মনে করা সেখান থেকেই পুরুষের নারীভীতির জন্ম। বাস্তবেই নারীরা সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা জাতি। জন্মের পর থেকে তাদের পরিচয় করা হয় না বিশ্ব, জগৎ, ব্রহ্মা-, সমর, লড়াই, অর্থনীতি, সমাজ, রাজনীতির সঙ্গে। তাই তারা বেড়েই উঠে ছোট গ-িতে। তবে সেই গ-িতেই সে শিখে যায় কেমন করে নিজের রাজত্বকে আয়ত্তে রাখা লাগে আর সেটুকু রাজত্ব হারালে সে হয়ে যাবে রাজত্বহীন।

যেহেতু একমাত্র বিয়ের পরই নারীরা একজনকে তার বলে পায় যার পুরোটাই তার নিজস্ব বলে সমাজ তাকে শিখিয়েছে। সে কারণেই মূলত নারীকুল জেদ, হিংসা, কাইজ্জা, আদর, ভালোবাসা, ছল মানে যা যা করে স্বামী নামক বহির্মুখী হিংস্র প্রাণীটিকে বশে রাখা যায় সেটাই করে। অন্যদিকে স্বামীটি মনে করে আহা, বেচারি তো কেবল এই করেই শান্তি পায়। থাক, দিলাম না হয় এটুকু শান্তি। থাকলাম ঘরে সুবোধ হয়ে তার আদেশ, উপদেশ মেনে চলি এই ভাবনাতেই যদি সে শান্তি পায় তো পাক না। আমার বাইরের জগতে তো সে আর হানা দিচ্ছে না। চব্বিশ ঘণ্টার ১৮-১৯ ঘণ্টা নিজের জগতে কাটিয়ে এসে বাকি ৫-৬ ঘণ্টা না হয় কাঁচুমাচু করে কাটিয়ে দিই না। কী আর হবে? অথচ বুঝতে চায় না মেয়েটারও আরও কিছু চাহিদা থাকতেই পারে। তারও ঘুরতে যেতে, আড্ডা দিতে বা নিজের মতো করে সময় কাটাতে ইচ্ছে করে।

সে স্বাধীনতাটুকু কী পুরুষ সমাজ মেনে নেবে? না নেয়? সেইদিন মনে হয় অবসান হতে যাচ্ছে। নারী-পুরুষ সবারই বোঝা উচিত প্রতিটা মানুষেরই স্পেস লাগে। ব্যক্তিগত বলে কিছু থাকতেই পারে যেখানে সততার সঙ্গে যদি সংরক্ষণ করা না যায় তবে অসততা আসবেই। নারীরাও এখন নিজস্ব জায়াগটা বুঝতে শিখে গেছে। নারীর মেধাকে যারা অবদমন করে রাখতে চাইতো সেখানেই আঘাত আসছে ক্রমশ। নারী এখন আর কেবল স্বামীকেই একমাত্র আশ্রয় মনে করে সন্তুষ্ট থাকতে পারছে না। তাই তো এতো ধাক্কা, এতো কষাঘাত।সুতরাং হে পুরুষ। নারীকে নিজের সম্পত্তি নয় বন্ধু মনে করা শুরু করো দেখবে কতো শান্তি দুনিয়ায়। ঈষৎ সংক্ষেপিত। ফেসবুক থেকে

আপনার মতামত লিখুন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন বড় বোন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শুক্রবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন তিনি।

ঢাকা অফিস

প্রধান সম্পাদক : সাইফুল্লাহ সাদির

১৬৩/৪ দেওয়ান পাড়া , ভাষানটেক , ঢাকা-১২০৬

+৮৮ ০১৭৪৫৪১১১৮৭ , +৮৮ ০১৭১২৪১১৩৭৮

jonokonthonews@gmail.com

কুষ্টিয়া অফিস

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সেলিম তাক্কু

আল- আমীন সুপার মার্কেট, ২য় তলা, পূর্ব মজুমপুর, কুষ্টিয়া,

+৮৮ ০১৭৪৫৪১১১৮৭ , +৮৮ ০১৭১২৪১১৩৭৮

jonokonthonews@gmail.com

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | জনকণ্ঠ নিউজ.কম
Powered By U6HOST