ছাত্রলীগের সম্মেলন নিয়ে যা জানা গেল

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে দেশের রাজনীতি। আগামী ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলন। একই সঙ্গে ছাত্রলীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলন করারও উদ্যোগ নিয়েছে দলটি। এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে নির্দেশও দিয়েছেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলটির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

জানা গেছে, আগামী বছরের জানুয়ারিতে ছাত্রলীগের ৩০তম কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে পারে। আর ডিসেম্বরের মধ্যে আওয়ামী মহিলা লীগ ও যুব মহিলা লীগের সম্মেলন হবে। এ বিষয়ে আগামী ৩০ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংবাদ সম্মেলনে তারিখ ঘোষণা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দুই বছর পরপর হবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্মেলন। সে হিসাবে ২০২১ সালে ৩১ জুলাই বর্তমান কমিটির মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে। এর আগে, ২০১৮ সালের মে মাসে ছাত্রলীগের ২৯তম কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক হন গোলাম রাব্বানী। তবে মাত্র এক বছরের মাথায়

অনিয়ম ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তাদের নেতৃত্ব থেকে অপসারণ করা হয়। এরপর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এক নম্বর সহসভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জয় ও লেখককে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

তবে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসা হলেও ছাত্রলীগ নিয়ে বিতর্কের অবসান হয়নি। বেশ কয়েক দিন ধরেই সংগঠনটির একাংশ নতুন নেতৃত্বের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের এই দাবি আগামী সম্মেলনের মাধ্যমে পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *