‘তিন শতাধিক ইরা নি ড্রো ন ভূপা’তিত করেছে কি য়েভ’

‘ইউক্রেন এখন পর্যন্ত ৩ শতা’ধিক ইরা”নি শাহেদ-১৩৬ ‘কামিকাজে’ ড্রো’ন ভূপা’তিত করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির বি’মান বাহিনীর মুখপাত্র ইউ’রি ইহা’নাত। শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) এক সং’বাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। খবর রয়টার্সের। ই’রানি ড্রোন রু’শ-ইউ’ক্রেন যু’দ্ধে’ ইউ’ক্রেনকে ঘা’য়েল ক’রতে অন্যতম হাতিয়া’র হি’সেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া। এ বিষয়ে বরাবরই অভি’যোগ জানিয়ে

আসছে কি’য়েভ। কিন্তু ইরান ড্রোন সরবরাহের অভি’যোগ অস্বী’কার করে আসছে। রুশ বাহিনী এ ‘কামিকাজে’ ড্রোন ব্যবহার করে মূলত ইউক্রেনের বৈদ্যু’তিক স্থাপনাগুলোতে হাম’লা চালা’চ্ছে বলে অভি’যোগ কি’য়েভের। এর আগে বুধবার দ্য কিয়েভ ইন্ডিপেন্ডেন্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউক্রেন প্রে’সিডেন্ট ভোল’দেমির জেলেনস্কি ৪০০ ই’রানি ড্রোন ব্যবহারের অভি’যোগ করেন। এদিকে নতুন খবর ‘চিরকুট লিখে রেখে হাসপাতালে ১০ মাস বয়সী শিশুকে ফেলে উ ধাও স্বজনরা ! এখন চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন হতভাগ্য শিশুটিকে পরম মমতায় দেখভাল করছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। অনেকে দত্তক নিতে আগ্রহী, তবে সুস্থ করার পর আদালতের সিদ্ধান্ত মতে এগোতে চায় কর্তৃপক্ষ।

গত ২২ অক্টোবর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের ৫ নম্বর বেডে ভর্তি করা হয় আরিফ নামে ১০ মাস বয়সী একটি শিশুকে। নিউমোনিয়া এবং মারাত্মক অপুষ্ঠিতে ভোগা, শিশুটিকে হাসপাতালে রেখে ৩ দিন পর অর্থাৎ ২৫ অক্টোবর উধাও হয়ে যান স্বজনরা। ব্যবস্থাপত্রের ফাইলে রেখে যান একটি চিরকুট। তাতে লেখা শিশুটি অনাথ এবং চিকিৎসার ব্যয় চালাতে অক্ষমতার কথা।

এই চিরকুটটি ফেলে যাওয়া হয়েছে শিশুটির পাশে।
এখন হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্সরাই পরম মমতায় দেখাশোনা করছেন হতভাগ্য শিশুটির। চিকিৎসকদের দাবি, শিশুটির শরীরে বড় কোনো সমস্যা নেই, শুধু অপুষ্টির কারণে দুর্বল, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর অবস্থা আগের চেয়ে ভালো।

এ ব্যাপারে চমেক হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. রেজাউল করিম বলেন, শিশুটির চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসা শেষের পথে প্রায়। চিকিৎসা শেষে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। স্বজনহারা শিশুটির নিয়মিত খোঁজ রাখছেন হাসপাতাল পরিচালক নিজেও। দত্তক নিতে আগ্রহী অনেকে। তবে, সুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত নিতে চায় কর্তৃপক্ষ।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান বলেন, কেউ যদি দত্তক নিতে চান তাহলে আদালতের মাধ্যমে সে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা কাগজপত্র দেখে শিশুটিকে হ্যান্ডওভার করে দেবো। চিকিৎসার পাশাপাশি চলছে শিশুটির বাবা মা স্বজনদের পরিচয় জানার চেষ্টা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *