ভারতকে জিতিয়ে দেয়া কে সেই তৃতীয় ব্যক্তি?

ছবি সংগ্রহীত
ভারতকে জিতিয়ে দেয়া কে সেই তৃতীয় ব্যক্তি?
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সুপার টুয়েলভের দুই নম্বর গ্রুপে বাংলাদেশ-ভারতের অনেক সমীকরণের খেলায় দুই দলের বাইরেও আরও একজনকে খেলতে দেখা গেছে। আর সেই ব্যক্তিটিই নাকি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতকে জিতেয়ে দিয়েছেন বলে হাওয়ায় গুঞ্জন।

বাংলাদেশের লাখো কোটি ক্রিকেটপ্রেমীরা এটা ভেবে সাত্ত্বনা পেতে পারেন যে, এডিলেডের ম্যাচে ভারতের জয়কে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সেই দেশটিরই গণামাধ্যম থেকে শুরু করে অনেক ক্রিকেট বোদ্ধারা। তাদের দাবি কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েই বাংলাদেশকে হারানো হয়েছে।

আগে ব্যাট করা ভারত বিরাটা কোহলির ধারাবাহিক পারফর্মেন্সে লড়িয়ে পূঁজি দিলেও জবাব দিতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেছিলো বাংলাদেশের দুই ওপেনার। লিটন আর শান্তর ব্যাট বৃষ্টি আসার আগ পর্যন্ত সব হিসাবেই বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখেন।

এরপর এলো বৃষ্টি। খেলায় ছন্দপতন। এরপর আবারো খেলা শুরু। তখনও এডিলেডের আকাশে ইলশে গুড়ি বৃষ্টি। ক্যাপ্টেন সাকিবের আপত্তি জানানোর পরও আম্পায়ারা আবারো খেলা শুরু করে দিলেন। কর্তিত ম্যাচে নতুন লক্ষমাত্রায় পথ হারায় বাংলাদেশ, ম্যাচ জেতে ভারত।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ জেতাতে ভারতের কোন ক্রিকেটার মুখ্য ভূমিকা নিলেন, তা নিয়ে তর্ক হতে পারে। কিন্তু প্রথম একাদশে না থেকেও চুপিচুপি আরও একজন যে কাজ করেছেন তা মন জয় করেছে ভারতের সবার। তার নাম রঘু রাঘবেন্দ্র। ভারতীয় দলের থ্রো ডাউন বিশেষজ্ঞ।

বাংলাদেশের ইনিংসের সপ্তম ওভারের পর হঠাৎই বৃষ্টি নামে। প্রায় ৫০ মিনিট পরে বৃষ্টির পর দ্রুত খেলা শুরু করতে চান আম্পায়াররা। ভেজা মাঠ শুকনো করার চেষ্টা চলে। তবে পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। ফলে ফিল্ডিং করতে গিয়ে রোহিতদের সমস্যা হবার সম্ভাবনা ছিলো।

ঠিক এই সময়ে খেলা শুরু করেন রঘু। এমনিতে ম্যাচের সময় বোলারদের টুকটাক নির্দেশ দেয়া ছাড়া সেভাবে কোনও কাজ থাকে না তাঁর। কিন্তু বুধবার পরিস্থিতি অন্যরকম থাকায় হাতে একটি ব্রাশ নিয়ে বাউন্ডারির ধারে দাঁড়িয়ে পড়েন তিনি।

ভেজা মাঠে ক্রিকেটারদের জুতোর তলায় কাদা ঢুকে যাচ্ছিলো। কাদা জমে থাকলে জুতো ভারি হয়ে যাবার কারণে ক্রিকেটারদের দৌড়তে অসুবিধা হতে পারে। সেটা মাথায় রেখেই ব্রাশ দিয়ে রাহুল, কোহলিদের জুতো পরিষ্কার করে দিচ্ছিলেন রঘু। এতে বেশ সুবিধা হচ্ছিলো সবার।

কিন্তু বিষয়টি কতোটা ন্যায় সঙ্গত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ক্রিকেট বোদ্ধাদের মনে। এভাবে ম্যাচের সময় ফিল্ডিংয়ের সময় মাঠের বাইরে থেকে ফিল্ডারদের সেবা দেয়া কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। অনেকে বলছেন, একই সেবা যদি বাংলাদেশ পেতো তাহলে লিটন দাস রান আউট হতেন না

সূত্র ৭১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *